টিভি-মোবাইল বন্ধ করে মনোযোগ দিয়ে খেলে কেন কম খাওয়া হয়
মোবাইল দেখতে দেখতে বা টিভির সামনে খেলে মস্তিষ্ক ঠিকমতো টের পায় না কতটা খেয়েছি। ফলে পেট ভরার সংকেত দেরিতে আসে, আর একটু পরেই আবার খিদে লাগে।
কোন অভ্যাস কেন, গবেষণা আর রেফারেন্সসহ।
মোবাইল দেখতে দেখতে বা টিভির সামনে খেলে মস্তিষ্ক ঠিকমতো টের পায় না কতটা খেয়েছি। ফলে পেট ভরার সংকেত দেরিতে আসে, আর একটু পরেই আবার খিদে লাগে।
আমরা শরীরচর্চা বলতে সাধারণত হাঁটাই বুঝি। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে পেশি কমতে থাকে, ফলে সিঁড়ি ভাঙা, বাজারের ব্যাগ তোলা, বসা থেকে ওঠা কঠিন হয়। পেশি শক্তির ব্যায়াম এই ক্ষয় ঠেকাতে সাহায্য করে, আর এর জন্য জিমে যাওয়াও জরুরি নয়।
ভাতের সাথে পাতে কাঁচা লবণ, আচার, চানাচুর, শুঁটকি — আমরা অনেকেই দরকারের চেয়ে অনেক বেশি লবণ খাই। বেশি লবণ রক্তচাপ বাড়ায়, আর উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগ ও স্ট্রোকের বড় কারণ।
অফিসের ডেস্ক, দোকানের কাউন্টার, যানজটে গাড়িতে বসে থাকা, রাতে টিভি বা মোবাইল — অনেকে দিনে ৮–১০ ঘণ্টা বসে কাটান। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা শরীরের জন্য আলাদা একটি ঝুঁকি। ভালো খবর হলো, নিয়মিত নড়াচড়া দিয়ে এই ঝুঁকি অনেকটা কমানো যায়।
চিপস, বিস্কুট, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, প্যাকেট কেক — এগুলো এমনভাবে বানানো যাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া যায় আর থামা কঠিন হয়। ঘরের রান্না খাবারের তুলনায় এতে পেট কম ভরে, কিন্তু ক্যালরি বেশি ঢোকে।
ঘুমের শুরুতে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা একটু নামতে হয়; ঘর বেশি গরম বা ভ্যাপসা থাকলে সেই নামাটা কঠিন হয়ে যায়। বাংলাদেশের গ্রীষ্ম আর বর্ষায়, লোডশেডিংয়ের রাতে, এটাই অনেকের ঘুম ভাঙার বড় কারণ।
“হাসি সবচেয়ে ভালো ওষুধ” কথাটা আমরা ছোটবেলা থেকে শুনি। বন্ধুদের আড্ডায় প্রাণখোলা হাসির পর হালকা লাগে, এটা সবার অভিজ্ঞতা। কিন্তু হাসিকে কি ইচ্ছা করে মন ভালো রাখার অভ্যাস বানানো যায়?
আমাদের আড্ডা, অফিস আর অতিথি আপ্যায়ন সবই চা ছাড়া অসম্পূর্ণ। কিন্তু চা, কফি, কোলা আর এনার্জি ড্রিংকের ক্যাফেইন শরীরে অনেক ঘণ্টা থাকে, তাই সন্ধ্যার কাপটা হয়তো রাতের ঘুমের বড় বাধা।
আমাদের সমাজে মানসিক কষ্ট নিয়ে কথা বলতে অনেকে লজ্জা পান, বা ভাবেন “নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে”। কিন্তু শরীরের অসুখের মতো মনের কষ্টেরও কার্যকর সাহায্য আছে, আর সময়মতো সাহায্য নিলে সেরে ওঠা অনেক সহজ হয়।
রাতে এক-দুবার জেগে ওঠা স্বাভাবিক; সমস্যা হয় যখন জেগে উঠে ঘড়ি দেখি, দুশ্চিন্তা শুরু করি আর বিছানায় শুয়ে যুদ্ধ করি। এতে মস্তিষ্ক বিছানাকে “জেগে থাকার জায়গা” হিসেবে শিখে ফেলে।