সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কমালে মন কেন ভালো থাকতে পারে

ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকে স্ক্রল করতে করতে কখন এক ঘণ্টা চলে যায় টেরই পাই না। অন্যদের সাজানো জীবনের সাথে নিজেকে তুলনা, নেতিবাচক খবর আর তর্ক, এসব অজান্তেই মন ভারী করে দিতে পারে।

গবেষণা কী বলে

২০১৮ সালের একটি নিয়ন্ত্রিত গবেষণায় ১৪৩ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর একদলকে তিন সপ্তাহ ধরে প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে দিনে ১০ মিনিট (মোট প্রায় ৩০ মিনিট) ব্যবহারে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করা দলের তুলনায় তাদের একাকিত্ব ও বিষণ্ণতার অনুভূতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছিল, বিশেষ করে যাদের শুরুতে বিষণ্ণতা বেশি ছিল। গবেষণাটি ছোট এবং শুধু শিক্ষার্থীদের নিয়ে, তাই সবার ক্ষেত্রে একই ফল হবে তা বলা যায় না।

কীভাবে করবেন

  1. ফোনের সেটিংসে সোশ্যাল মিডিয়ার দৈনিক সময়সীমা দিন, যেমন দিনে মোট ৩০ মিনিট।
  2. ঘুম থেকে উঠে প্রথম আধা ঘণ্টা আর ঘুমানোর আগের এক ঘণ্টা ফোন না ধরার নিয়ম করুন; সকালে NYDRA-র অ্যাফারমেশন দিয়ে দিন শুরু করুন।
  3. যেসব পেজ বা মানুষের পোস্ট দেখলে মন খারাপ বা রাগ হয় সেগুলো আনফলো বা মিউট করুন।
  4. নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন, আর অ্যাপ হোম স্ক্রিনের প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিন।
  5. বাঁচানো সময়টা সামনাসামনি মানুষের সাথে কাটান: পরিবারের সাথে চা, বন্ধুকে ফোন বা মসজিদ-পাড়ায় হাঁটা।

সতর্কতা

সতর্কতা: অনলাইনে হয়রানি, হুমকি বা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে একা সামলানোর চেষ্টা না করে বিশ্বস্ত কাউকে জানান এবং প্রয়োজনে আইনি সহায়তা নিন। ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ও তাতে পড়ালেখা বা কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

তথ্যসূত্র (রেফারেন্স)

  1. Hunt MG, Marx R, Lipson C, Young J. No More FOMO: Limiting Social Media Decreases Loneliness and Depression. Journal of Social and Clinical Psychology, 2018. DOI

গবেষণার ফল সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। এগুলো সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিগত চিকিৎসা-পরামর্শ নয়।

NYDRA একটি ওয়েলনেস সেবা; এটি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা করে না। স্বাস্থ্যের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

← হিলিং ল্যাবে ফিরুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top