ধীর শ্বাস: ১ মিনিটে শরীর শান্ত করার উপায়
শ্বাস শরীরের এমন একটা কাজ যা আমরা নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। শ্বাস ধীর করলে হৃৎস্পন্দনও ধীর হয়, মন শান্ত হয়।
কোন অভ্যাস কেন, গবেষণা আর রেফারেন্সসহ।
শ্বাস শরীরের এমন একটা কাজ যা আমরা নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। শ্বাস ধীর করলে হৃৎস্পন্দনও ধীর হয়, মন শান্ত হয়।
প্রতিদিন কিছুক্ষণ চুপ করে নিজের শ্বাস আর চিন্তা লক্ষ করা মনকে প্রতিক্রিয়া থেকে সরিয়ে বোঝার জায়গায় আনে।
মন স্বাভাবিকভাবেই সমস্যার দিকে বেশি নজর দেয়। ভালো জিনিসগুলো লিখে রাখলে মনোযোগ ভারসাম্যে ফেরে।
নিজের মূল্যবোধ আর লক্ষ্য নিয়মিত মনে করলে চাপের মুহূর্তে মন কম আত্মরক্ষামূলক হয়, আর সিদ্ধান্ত লক্ষ্যের দিকে যায়।
অসম্পূর্ণ কাজের চিন্তা শোয়ার পর মাথায় ঘুরতে থাকে। লিখে ফেললে মস্তিষ্ক সেগুলো “রেখে দেওয়া” হয়েছে বলে ধরে নেয়।
সবুজ পরিবেশে মন সহজে বিশ্রাম পায়, মানসিক চাপ কমে।
ঘুমের সময় শরীর পেশি মেরামত করে, মস্তিষ্ক দিনের শেখা জিনিস গুছিয়ে রাখে, আর হরমোন ভারসাম্যে ফেরে। নিয়মিত কম ঘুমালে মনোযোগ, মেজাজ আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
শরীরে সামান্য পানির ঘাটতিও ক্লান্তি, মাথাব্যথা আর মনোযোগ কমার কারণ হতে পারে। একবারে অনেক না খেয়ে সারাদিন ভাগ করে খেলে শরীর ভালোভাবে কাজে লাগায়।
সকালের আলো চোখে পড়লে মস্তিষ্কের ভেতরের ঘড়ি বুঝে নেয় দিন শুরু হয়েছে। এতে দিনে সতেজ লাগে আর রাতে সময়মতো ঘুম আসে।
উষ্ণ পানিতে শরীর গরম হওয়ার পর চামড়া দিয়ে তাপ বেরিয়ে যায়, শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা নামে। এই নামাই ঘুমের সংকেত।