"মাছে-ভাতে বাঙালি" — আমাদের ঐতিহ্যেই ভালো প্রোটিন আছে। প্রোটিন পেশি, রোগপ্রতিরোধ আর দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার জন্য দরকার, কিন্তু অনেকের থালায় ভাতের তুলনায় প্রোটিন খুব কম থাকে।
গবেষণা কী বলে
২০১৪ সালের একটি সমন্বিত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সপ্তাহে প্রায় ৪ বার ডাল-জাতীয় খাবার (লেগিউম) খাওয়ার সাথে হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ১৪% কম। ২০০৬ সালে জামা-তে প্রকাশিত একটি বড় পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, সপ্তাহে ১–২ বার মাছ (বিশেষ করে তৈলাক্ত মাছ) খাওয়ার সাথে হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কম, এবং বেশিরভাগ মানুষের জন্য উপকার দূষণজনিত ঝুঁকির চেয়ে বেশি।
কীভাবে করবেন
- প্রতি বেলায় এক হাতের তালুর সমান প্রোটিন রাখুন — এক বাটি ঘন ডাল, এক টুকরা মাছ বা একটা ডিম।
- পাতলা পানির মতো ডালের বদলে ঘন ডাল রাঁধুন; মসুর, মুগ, ছোলা, মাষকলাই ঘুরিয়ে খান।
- সপ্তাহে অন্তত ২ দিন ছোট মাছ বা তৈলাক্ত মাছ (ইলিশ, পাঙ্গাস, মলা, কাচকি) রাখুন।
- সকালের নাস্তায় একটা সেদ্ধ ডিম বা ছোলা যোগ করুন।
- মাছ ভাজার বদলে ঝোল বা ভাপা করুন, তেল কম লাগে।
সতর্কতা
সতর্কতা: কিডনির রোগ থাকলে প্রোটিনের পরিমাণ ডাক্তার ঠিক করে দেবেন। গেঁটেবাত (ইউরিক অ্যাসিড) বা কোনো খাবারে অ্যালার্জি থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র (রেফারেন্স)
- Afshin A, Micha R, Khatibzadeh S, Mozaffarian D. Consumption of nuts and legumes and risk of incident ischemic heart disease, stroke, and diabetes: a systematic review and meta-analysis. American Journal of Clinical Nutrition, 2014. PubMed
- Mozaffarian D, Rimm EB. Fish intake, contaminants, and human health: evaluating the risks and the benefits. JAMA, 2006. সূত্র
গবেষণার ফল সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। এগুলো সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিগত চিকিৎসা-পরামর্শ নয়।
NYDRA একটি ওয়েলনেস সেবা; এটি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা করে না। স্বাস্থ্যের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
