টক দই আমাদের খুব পরিচিত খাবার। এতে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম আর উপকারী জীবাণু (প্রোবায়োটিক) থাকে, যা হজমে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু দোকানের মিষ্টি দইয়ে থাকে অনেক চিনি, তাই কোন দই খাচ্ছেন সেটাই আসল কথা।
গবেষণা কী বলে
যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বড় দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা আর আগের গবেষণাগুলোর সমন্বিত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন নিয়মিত দই খান, তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক কম ছিল (প্রতিদিন এক পরিবেশন দইয়ে প্রায় ১৮% কম ঝুঁকি)। এটি পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা, তাই দই-ই কারণ কি না তা নিশ্চিত নয়; দই খাওয়া মানুষের অন্য অভ্যাসও ভালো হতে পারে। মিষ্টি দইয়ের ক্ষেত্রে এই উপকার আশা করা যায় না।
কীভাবে করবেন
- চিনি ছাড়া ঘরে পাতা টক দই বেছে নিন; মিষ্টি দই মাঝে মাঝে, অল্প
- দুপুরে ভাতের সাথে আধা কাপ থেকে এক কাপ টক দই খেতে পারেন
- মিষ্টি চাইলে চিনির বদলে কলা বা মৌসুমি ফল মেশান
- গরমের দিনে লবণ কম দিয়ে ঘরে বানানো মাঠা বা লাচ্ছিও ভালো বিকল্প
- নবরত্নে “খাবার গ্রহণ” বাটনে লিখে রাখুন কোন দিন দই খেলেন, সপ্তাহ শেষে মিলিয়ে দেখুন
সতর্কতা
দুধে অ্যালার্জি থাকলে দই খাবেন না। কিডনির রোগে প্রোটিন বা পটাশিয়াম মাপা থাকলে চিকিৎসকের দেওয়া পরিমাণ মেনে চলুন। বাসি বা টক গন্ধ বদলে যাওয়া দই খাবেন না।
তথ্যসূত্র (রেফারেন্স)
- Chen M, Sun Q, Giovannucci E, et al. Dairy consumption and risk of type 2 diabetes: 3 cohorts of US adults and an updated meta-analysis. BMC Medicine, 2014. PubMed
গবেষণার ফল সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। এগুলো সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিগত চিকিৎসা-পরামর্শ নয়।
NYDRA একটি ওয়েলনেস সেবা; এটি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা করে না। স্বাস্থ্যের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
