হাসি কি সত্যিই মন ভালো করে? গবেষণা যা বলছে

"হাসি সবচেয়ে ভালো ওষুধ" কথাটা আমরা ছোটবেলা থেকে শুনি। বন্ধুদের আড্ডায় প্রাণখোলা হাসির পর হালকা লাগে, এটা সবার অভিজ্ঞতা। কিন্তু হাসিকে কি ইচ্ছা করে মন ভালো রাখার অভ্যাস বানানো যায়?

গবেষণা কী বলে

হাসি-নির্ভর বিভিন্ন কর্মসূচি (যেমন লাফটার যোগা, হাসির ক্লাব, কমেডি দেখা) নিয়ে ২০১৯ সালের একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনা ও সমন্বিত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এগুলো বিষণ্ণ ভাব কমাতে মাঝারি মাত্রায় সহায়ক হতে পারে। মজার ব্যাপার, কোনো কারণ ছাড়াই ইচ্ছা করে হাসার অনুশীলন (যেমন লাফটার যোগা) স্বতঃস্ফূর্ত হাসির চেয়ে বেশি উপকার দেখিয়েছে। তবে গবেষণাগুলো ছোট এবং মান মিশ্র, তাই প্রমাণ এখনো সীমিত।

কীভাবে করবেন

  1. প্রতিদিন ১০ মিনিট এমন কিছু দেখুন বা শুনুন যা আপনাকে সত্যিই হাসায়: পুরোনো কৌতুক, প্রিয় নাটকের দৃশ্য, শিশুদের কাণ্ড।
  2. পরিবারের সাথে রাতের খাবারে দিনের একটা মজার ঘটনা শেয়ার করার অভ্যাস করুন।
  3. চাইলে বন্ধুদের নিয়ে সকালে পার্কে ছোট "হাসির ব্যায়াম" করুন: কয়েকবার গভীর শ্বাস, তারপর ইচ্ছা করে হাসা; কিছুক্ষণ পর হাসি নিজেই সংক্রামক হয়ে যায়।
  4. দিনের শেষে NYDRA-র কৃতজ্ঞতা রিচুয়ালে আজ কী নিয়ে হেসেছেন তা এক লাইনে লিখে রাখুন।

সতর্কতা

সতর্কতা: সম্প্রতি পেট বা বুকের অস্ত্রোপচার হলে, হার্নিয়া, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ বা গর্ভাবস্থায় জোরে ও দীর্ঘক্ষণ হাসির ব্যায়ামের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হাসি গুরুতর বিষণ্ণতার চিকিৎসার বিকল্প নয়।

তথ্যসূত্র (রেফারেন্স)

  1. van der Wal CN, Kok RN. Laughter-inducing therapies: Systematic review and meta-analysis. Social Science & Medicine, 2019. PubMed

গবেষণার ফল সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। এগুলো সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিগত চিকিৎসা-পরামর্শ নয়।

NYDRA একটি ওয়েলনেস সেবা; এটি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা করে না। স্বাস্থ্যের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

← হিলিং ল্যাবে ফিরুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top