আমরা সাধারণত গুনি কত ঘণ্টা ঘুমালাম, কিন্তু কখন ঘুমালাম আর কখন উঠলাম সেটাও শরীরের ঘড়ির কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। একদিন রাত ১১টায়, আরেকদিন রাত ২টায় ঘুমালে শরীর বুঝতে পারে না কখন সজাগ হবে আর কখন বিশ্রাম নেবে।
গবেষণা কী বলে
যুক্তরাজ্যের প্রায় ৬০ হাজার মানুষের হাতে পরা যন্ত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে ২০২৪ সালের একটি বড় পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ঘুমের সময় সবচেয়ে নিয়মিত, তাদের পরবর্তী বছরগুলোতে মৃত্যুঝুঁকি সবচেয়ে অনিয়মিতদের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। গবেষকদের হিসাবে, মৃত্যুঝুঁকি আন্দাজ করতে ঘুমের নিয়মিততা ঘুমের মোট সময়ের চেয়েও শক্তিশালী সূচক। তবে এটি পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা, তাই নিয়মিত ঘুমই সরাসরি কারণ কি না তা এখনো প্রমাণিত নয়।
কীভাবে করবেন
- ফজর বা অফিসের সময় মাথায় রেখে একটা নির্দিষ্ট ওঠার সময় ঠিক করুন, ছুটির দিনেও এক ঘণ্টার বেশি এদিক-ওদিক না করার চেষ্টা করুন।
- ঘুমাতে যাওয়ার সময় নিয়ে জোর না করে ওঠার সময়টাকে "নোঙর" বানান; কয়েক সপ্তাহে ঘুম আসার সময় নিজেই গুছিয়ে যাবে।
- উঠেই পর্দা সরিয়ে আলো নিন বা বারান্দায় যান; এতে শরীরের ঘড়ি "দিন শুরু" সংকেত পায়।
- NYDRA-র ঘুম ট্র্যাকারে এক সপ্তাহের ঘুমানো-ওঠার সময় দেখুন; সময়ের ওঠানামা যত কমবে, তত ভালো।
সতর্কতা
সতর্কতা: নিয়মিত সময়ে উঠেও সারাদিন অস্বাভাবিক ঘুম ঘুম লাগলে, বা কাজে মনোযোগ রাখতে না পারলে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন; এর পেছনে অন্য ঘুমের সমস্যা থাকতে পারে।
তথ্যসূত্র (রেফারেন্স)
- Windred DP, Burns AC, Lane JM, Saxena R, Rutter MK, Scheer FAJL, Phillips AJK. Sleep regularity is a stronger predictor of mortality risk than sleep duration: A prospective cohort study. Sleep, 2024. DOI
গবেষণার ফল সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। এগুলো সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিগত চিকিৎসা-পরামর্শ নয়।
NYDRA একটি ওয়েলনেস সেবা; এটি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা করে না। স্বাস্থ্যের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
